মধু ও খেজুরের উপকারিতা

খেজুরের উপকারিতা

খেজুরের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে সবারই কমবেশি ধারণা আছে। রমজান(Ramadan) মাস খেজুরের কদর অন্যান্য সময় বেশী হলেও, এখন সারা বছরই কমবেশি সবাই খেজুর খেয়ে থাকেন। খেজুরের অত্যাধিক পুষ্টিগুণ(Nutrition) আছে। মিষ্টি ফল হলেও ফাইবার সমৃদ্ধ এবং কম ক্যালোরি(Calories) হওয়ায় খেজুর ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

নিয়মিত খেজুর খেলে নিচের উপকার পাওয়া যায়ঃ

  • রোগ প্রতিরোধ শক্তিঃ খেজুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়া। খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।
  • মৃত্যু ঝুকি কমাতেঃ গর্ভবতী মায়েদের জন্য খেজুর নরমাল ডেলিভারি হতে সাহায্য করে এবং মৃত্যু ঝুকি কমায়।
  • হার্ট এবং মস্তিষ্কের সুস্থতায়ঃ শরীরের সাথে মনের সুস্থতা আমাদের জন্য অপরিহার্য। খেজুর হার্ট এবং মস্তিষ্কের সুস্থতায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
  • রক্তের সুগার কন্ট্রোলে রাখতেঃ লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ফুড হওয়ায় ডায়োবেটিস রোগীরা খেজুর খেতে পারেন। এতে রক্তে সুগার বাড়ে না।
  • ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারঃ ফাইবারও মিলবে খেজুরে। তাই এই ফল ডায়েটে রাখতে পারেন নিশ্চিন্তে।
  • উচ্চ রক্তচাপ কমাতেঃ প্রতিটি খেজুরে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
  • কোষ্ঠ্যকাঠিন্যে দূর করণেঃ কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় রাতে পানিতে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন। পর দিন সকালে খেজুর ভেজানো পানি পান করুন। দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্য।
  • রেটিনা ভাল রাখতেঃ খেজুরে লিউটেন ও জিক্সাথিন থাকায় তা রেটিনা ভালো রাখতে সাহায্য করে।
  • হৃদস্পন্দনের হার ঠিক রাখতেঃ খেজুরে থাকা নানা খনিজ হৃদস্পন্দনের হার ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

আনাগোনার প্রিমিয়াম খেজুরগুলিঃ

কেন খাবেন মধু? জেনে নিন মধুর উপকারিতাঃ

পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা খাবারের একটি তালিকা করি, সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে এই মধু।

মধু হল এক প্রকারের মিষ্টি ও ঘন তরল পদার্থ, যা মৌমাছি ও অন্যান্য পতঙ্গ ফুলের নির্যাস হতে তৈরি করে এবং মৌচাকে সংরক্ষণ করে। এটি উচ্চ ঔষধিগুণ সম্পন্ন একটি ভেষজ তরল, এটি সুপেয়। বিভিন্ন খাদ্য প্রস্তুতিতে এর ব্যবহারে চিনির চেয়ে এর অনেক সুবিধা রয়েছে।

মধুতে রয়েছে নানাবিধ স্বাস্থ্য উপকারিতা। যেমনঃ

  • সর্দি-কাশিতে : শীতে সর্দি-কাশিতে ভোগা যেন একটি সাধারণ সমস্যা। সর্দি-কাশি থেকে দূরে থাকতে প্রতিদিন সকালে মধু সেবন করতে পারেন।
  • গলার স্বর ভাঙ্গা : শীতকালে গলার স্বর ভেঙ্গে যায় অনেকের। এই সমস্যায়  প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে পান করুন। উপকার পাবেন।
  • পাকস্থলীর সমস্যায় : যারা পাকস্থলীর সমস্যায় ভুগছেন তারা এক গ্লাস পানিতে দুই চামচ মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সেবন করতে পারেন। এতে পাকস্থলীর সমস্যা দূর হয়।
  • শক্তিবৃদ্ধি : শারীরিক দুর্বলতায় যারা ভুগছেন তাদের জন্যও মধু উপকারী। প্রতিদিন এক গ্লাস গরম দুধে দুই থেকে তিন চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। শরীরে শক্তি বৃদ্ধি পাবে।
  • হূদরোগে : নিয়মিত মধু সেবন হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে ।
  • কোষ্ঠকাঠিন্য দূর : যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন তারা মধু সেবনে উপকার পাবেন।
  • তাপ উৎপাদনে: শীতের ঠান্ডায় এটি শরীরকে গরম রাখে। এক অথবা দুই চা–চামচ মধু এক কাপ ফুটানো পানির সঙ্গে খেলে শরীর ঝরঝরে ও তাজা থাকে।
  • হাড় ও দাঁত গঠনে: মধুর গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম দাঁত, হাড়, চুলের গোড়া শক্ত রাখে, নখের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে, ভঙ্গুরতা রোধ করে।
  • হজমে সহায়তা: মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয় এবং হজমে সহায়তা করে।


 মধুর দানাদার সমস্যা

অনেক সময় মধু দানাদার আকার ধারণ করে। যদি কোনো মধুতে গ্লুকোজের পরিমাণ ফ্রুক্টোজের চেয়ে বেশি থাকে তখন সে মধু অতি দ্রুত দানাদার হয়। যেমন- সরিষা ফুলের মধু। আবার মধুতে পর্যাপ্ত পোলেন, ধুলাবালু ও বুদবুদ থাকলে সে মধু সহজে দানাদার হয়।

সাধারণত ১১ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় মধু জমতে পারে। পানির পরিমাণ বেশি থাকলে মধুকে দানাদার হতে ত্বরান্বিত করবে। তবে দানাদার মধু খেতে কোনো সমস্যা নেই। এই দানাদার মধুকে তাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তরল করা যায়। তবে দানাদার মধু ছয় মাসের মধ্যে ব্যবহার করা উত্তম।


আনাগোনার খাঁটি মধুঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

 
 
 

আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করি। এই ওয়েবসাইটটি ব্রাউজ করে আপনি আমাদের কুকিগুলির ব্যবহারে সম্মত হন।

   
Product added!
The product is already in the wishlist!